২০১৯ সালের শুরুর দিকের কথা। বাংলাদেশে তখন অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা হাতে গোনা কয়েকটি। যেগুলো ছিল, সেগুলোতে বাংলায় কথা বলার সুযোগ নেই, bKash-এ পেমেন্ট নেই, আর সাপোর্ট পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো। সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর কথা যেন কেউ ভাবেনি।
এই শূন্যতা থেকেই জন্ম নিল Cricbd-এর ধারণা। আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা বিশ্বাস করতেন — বাংলাদেশের মানুষ যদি ক্রিকেট ভালোবাসতে পারেন, যদি তারা সব ম্যাচ মনে রাখতে পারেন, তাহলে একটি ভালো বেটিং প্ল্যাটফর্ম তাদের সেই আনন্দকে আরও একটু বাড়িয়ে দিতে পারে।
"আমরা শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম বানাতে চাইনি — আমরা চেয়েছিলাম এমন একটি জায়গা তৈরি করতে, যেখানে প্রতিটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারী নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।"
— Cricbd প্রতিষ্ঠাতা দলের বার্তা২০১৯ সালে মাত্র ১২ জন কর্মী নিয়ে শুরু হয়েছিল যাত্রা। প্রথম বছরেই ১ লাখের বেশি নিবন্ধন হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রতিটি বড় ম্যাচে Cricbd-এ বেটিং চার্ট উপচে পড়েছে। আস্তে আস্তে ক্রিকেটের বাইরেও ফুটবল, ক্যাসিনো, লটারি যোগ হয়েছে।
আজ ২০২৬ সালে Cricbd-এর পরিবারে আছেন ১৫ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য। প্রতিদিন ৪৮ হাজারের বেশি মানুষ সক্রিয়ভাবে খেলছেন। আমাদের দলে এখন ৩০০-র বেশি কর্মী কাজ করছেন, যার বেশিরভাগই বাংলাদেশি।
Cricbd শুধু বড় হয়নি — আমরা বিশ্বাসযোগ্য হয়েছি। প্রতিটি পেমেন্ট সময়মতো, প্রতিটি বোনাস স্বচ্ছ, প্রতিটি গেম ফেয়ার — এই তিনটি নীতিতে কোনো আপোষ নেই।